JAYATI CHATTERJEE

JAYATI CHATTERJEE Mental Wellness Coach

CO-FOUNDER OF GYANIGURU BY JMC "LIFE COACHING INSTITUTION".

A CERTIFIED LIFE COACH.

A CERTIFIED INNER WELLNESS COACH.

NLP EXPERT,NLP COACH AND MENTOR.

WITH PROFOUND EXPATRIATES IN LAW OF ATTRACTION.

AND INTERNATIONALLY ACCLAIMED MIND TRAINER.

Who has Helped Many People Over the Years to Get out of Negative Mental States Such as Depression Anxiety Stress Procrastination etc and Live a Wonderful Meaningful Life.









































































































#LawofAttractionBengali #NLP


JAYATI CHATTERJEE

আপনি ই পারেন আপনার শিশুর ব্যক্তিত্বকে আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্বে পরিণত করতে

Video Coming Soon | Stay Tuned by Subscribing To my Channel | And Don't forget to press the bell icon for Notifications

#lifecoach #parenting #nlp #neurolinguisticprogramming #jayatichatterjee #mentor #childpsychology

2 months ago | [YT] | 1

JAYATI CHATTERJEE

সম্পর্কচ্যুতি মানেই কিন্তু ভুলে যাওয়া নয়।নিদিষ্ট ব্যক্তিটির প্রতি যতক্ষণ রাগ,অভিমান, অভিযোগ,ঘৃণা রয়েছে মনে ততক্ষণ সম্পর্কটি মনের সঙ্গে জুড়েই রয়েছে। শুধুমাত্র ভালোবাসার অমৃত রূপান্তরিত হয়েছে হয়তো ঘৃণার গরলে।

রয়ে গেছে মনের কোণে আশা,যদি মনের মতো হয়ে ফিরে আসে একটিবার সে।প্রকৃত বিছিন্নতা তখনই সম্ভব যখন শুধু সেই ব্যক্তিটির কথা ভাবলেই মনের মধ্যে আসবে কেবল নির্লিপ্তি।
তখনই অতীত হবে প্রকৃত অতীত। 😊

©️ #monojita_

#lifecochjayatichatterjeemonojita
#lettinggo
#LettingGoWithGrace
#LettingGoWithGod

5 months ago | [YT] | 3

JAYATI CHATTERJEE

#সুখ_ই_অসুখ

ইদানিং মাঝে মধ্যেই বড্ড ছোট্ট হয়ে যেতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে জীবনটা আবারও শুরু থেকে শুরু করতে। অদ্ভুত ভাবে মনে পড়ে যায় পুরোনো হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জন,বন্ধুদের স্মৃতি। ইচ্ছে করে স্কুলের বন্ধুরা মিলে ঝালমুড়ি পিকনিক করি বা আমড়ামাখা,কুলের আচার বা এক চিমটি কারেন্ট নুন জিভে ফেলে টকাস করে টাকরায় শব্দ তুলে হা হা হি হি করে অকারণ হাসিতে একে অপরের গায়ে ঢলে পড়ি।মায়ের হাতের গরম গরম আলুসিদ্ধ ভাত ঘি দিয়ে মাখা খাই, বাবার কাছে অঙ্ক শিখতে গিয়ে বকুনি জুটুক আবারও।
বারবার ইচ্ছে করে সেই দিন গুলো ফিরে পেতে। হয়তো এই ইচ্ছে আমার একার নয়।আমার মতো অনেকেরই বড়বেলায় এসে মনে হয় জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছোটবেলাটিই ছিলো।

কিন্তু কেন এমন ইচ্ছে করে..? ছোটবেলার মতো পরাধীনতা তো আর নেই। না ছিলো তখন হাতে একটা কানাকড়ি, না ছিলো নিজের ইচ্ছে মতো চলার স্বাধীনতা। তবুও কি যেন এক সুখের অনুভূতি ছড়িয়ে থাকতো মনেপ্রাণে সর্বক্ষণ।

আসলে আজ বুঝি সে সুখ ছিলো সহজ সরল প্রেমের সুখ।প্রেমের অনুভূতি যে শুধু একজোড়া নারী পুরুষের মধ্যেই ঘটে তা তো নয়।সে হলো এক অপূর্ব ঐশ্বরিক ঐশ্বর্য যার বসতি শুধুমাত্র নিষ্পাপ হৃদয়েই হতে পারে। যে হৃদয় ছিলো আমাদের ছোটবেলায়। স্বচ্ছ নির্মল সেই মনের আয়নায় যা দেখতাম যাকেই দেখতাম বিশ্বাস করতাম ভালোবাসতাম।ছিলো না যোগ্য বা অযোগ্যতার ভেদাভেদ। তুচ্ছতম প্রাপ্তিও প্রাণে খুশির তুফান তুলতে পারতো তখন। না ছিলো অভিযোগ না ছিলো অভাব বোধ।

ধীরে ধীরে বড়ো হতে লাগলাম। পারিবারিক সামাজিক বিভিন্ন দায়িত্ব এবং পারিপার্শ্বিক প্রত্যাশার বোঝা চাপতে লাগলো মাথায়। মনে হতে লাগলো প্রকৃত সুখের জন্য প্রতিষ্ঠা দরকার। প্রয়োজন প্রচুর অর্থ উর্পাজনের।প্রচুর পড়াশোনা শিখে জ্ঞানার্জন করতে হবে, নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে সবসময় সব জায়গায়। শুরু হলো দৌড় দৌড়। সে দৌড় দূরে সরিয়ে নিয়ে যেতে লাগলো একসময় আমারই নিষ্পাপ হৃদয়ে বসতকারী প্রেমের কাছ থেকে।নিজেকে যোগ্যতর করার প্রতিযোগিতায় নিজের অজান্তেই মনে জায়গা করে নিলো অহংবোধ এবং কখন যেন নিজের অজান্তেই সেই অনাবিল স্বহৃদয়ে প্রেমের উৎসারিত ঝর্ণার মুখ ঢাকতে শুরু করলো অহংকারের নুড়ি পাথরে। অহংকারের ধরন আর প্রেমের চলন যে একেবারেই একে অপরের বিপরীতমুখী।

অহংকার বড়ো হিসেবি, সে অপ্রয়োজনে কারো সাথে মিশতে দেয় না।বন্ধুত্বের ক্ষেত্রেও সে যোগ্যতার হিসাব করে, করে স্বার্থের পরিমাপ।অহংকার ঝুঁকতে জানে না। সে নতি স্বীকার সেখানেই করে যেখানে স্বার্থ পূর্তির সুযোগ আছে। সে সবসময় নিজের থেকে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করে।কিন্তু প্রেমপূর্ণ হৃদয় নির্বিচারে সবাইকে আপন করে নিতে দ্বিধা বোধ করে না।সে সবসময় চায় পবিত্র ভালোবাসায় ভরিয়ে তুলতে চারিপাশ। তার এতেই আনন্দ। এতেই সে খুশি অপর দিকে অহংকার আনন্দ তখনই পায় যখন সে কিছু ছিনিয়ে নিতে পারে।
প্রেম যে অন্তরে আছে সে তো আপন আলোকে আলোকিত আর অহংকারের আগমনই তো অন্ধকারের আমন্ত্রণ। অহংকার উচ্চাকাঙ্খী করে তোলে, তার দাবী আরও আরও আরও চাই, চাই অর্থ,সম্মান, প্রতিপত্তি। সে কৃতজ্ঞ হতে জানে না,আরও পাওয়ার তাড়না তাকে আনন্দিত হতে দেয় না।

এ চাওয়ার ছোটা থামার নয়।চলছে চলবে হয়তো শেষ শ্বাস পর্যন্ত।তবুও কখনো কখনো ক্লান্তি আসে,মনে হয় সত্যিই কি সুখ হয়েছে আদৌ আমাদের অনুগত..? মনের ভিতরে অহংকারের পাথরের আড়ালে চাপা পড়ে থাকা সেই অবুঝ সহজ সরল নিষ্পাপ মনটা ডুকরে কেঁদে উঠে জানতে চায় আবারও কি ফিরে যাওয়া যায় না সেই ছোট্টবেলায়..? যখন কিচ্ছুটি ছিলো না হাতের মুঠোয় কিন্তু সত্যি করে বলো দিকিনি কত্তো সুখী ছিলে তুমি..? কারণ তখন যে তোমার নিজের মনের আয়নাখানা ছিলো মালিন্যমুক্ত। তুমি যেমন তেমন ভাবেই দেখতে জগৎ কে।সুখ তাই অকারণে উছলে পড়তো তোমার মন প্রাণ জুড়ে।ছড়িয়ে পড়তো তোমার চারপাশে। ঠিক তেমনই তোমার উপস্থিতিতে আনন্দে ভরে উঠতো প্রতিটি হৃদয়।

আজও সেই মনটা আমাদের মধ্যেই আছে।তাই তো কোনো ছোট বাচ্চার হাসি দেখে আমাদের মনপ্রাণ আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।তাদের আনন্দ তাদের সারল্য তাদের নিষ্পাপ কৌতূহল আমাদের মনকে সতেজ নির্মল করে তোলে। তাদের চোখ দিয়ে আবারও নতুন করে দেখতে ইচ্ছে করে এই জগৎ সংসারকে।

ভাবি আমি, আমার যদি এমন কোনো অসীম শক্তি থাকতো,যার সাহায্যে মানুষের মানসিক প্রকৃতি বদলে সহজ সরল নির্মল করে দিতে পারতাম, পবিত্র প্রেমের অনুভূতিতে ভরিয়ে তুলতে পারতাম প্রতিটি মানব অন্তর। স্বচ্ছ মালিন্যহীন প্রতিটি মানব হৃদয়ে তখন থাকতো না শ্রেষ্ঠত্বের অহংবোধ, থাকতো না শ্রেষ্ঠ হওয়ার উচ্চাকাঙ্খা।নিষ্পাপ শিশুরা যেমন অন্য শিশুর কাছে এলে কোনো চাওয়া পাওয়ার হিসেব না রেখে সহজ সারল্যে মিলে মিশে যেতে পারে তেমনই প্রতিটি মানুষ একে অপরের সঙ্গে তেমন ভাবেই মিশতে পারতো তখন। হয়তো প্রতিটি মনই ভরে থাকতো তখন অনির্বচনীয় সুখের প্রাপ্তিতে।😊

#মনোজিতা

#lifecoachjayatichatterjeemonojita

5 months ago | [YT] | 2

JAYATI CHATTERJEE

#রিল_VS_রিয়্যালিটি_সংকটে_রয়েছে_ভালোথাকা

উফফফফ জানেন বন্ধুরা কিছুক্ষণ আগেই ফোন টা ধড়াম করে হাত থেকে পড়ে গেলো ব্যস মনে হলো ফোন নয় আমার জীবনের শেষ শ্বাসটাই আমি ফেলে দিয়েছি। ঝপাং করে তুলে হাতে নিয়ে যখন দেখলাম সে সুস্থ আছে। মনে হলো যেন আমার দেহ ছেড়ে যাওয়া আত্মাটাই বাইরে বেড়িয়ে আছাড় খেয়ে আবার শরীরে ফিরে এলো।
আসলে এমন অনুভূতি আজকের দিনে কম বেশি সকলেরই। মুঠোফোন ছাড়া জীবন আমরা ভাবতেও পারি না আজকের দিনে তাই না..?

কিন্তু মোবাইলের প্রতি এই অতি নির্ভরশীলতার আড়ালে পেছনে লুকিয়ে থাকা গভীর সমস্যা গুলোর বিষয়ে আমরা কি আদৌ সচেতন..?আমরা কি জানি মোবাইল তথা সোস্যাল মিডিয়া আজ আমাদের চিন্তা, অনুভূতি, আচরণ এবং এমনকি আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকেও নিয়ন্ত্রণ করছে ভয়ংকর ভাবে..? চলুন আজ বরং এই বিষয়গুলো নিয়েই একটু বিস্তারিত আলোচনা করি।

১.মানসিক সমস্যা

কি জানেন বন্ধুরা,আজকের দুনিয়ায় মারাত্মক ভাবে বেড়ে যাওয়া অ্যাংজাইটি এবং ডিপ্রেশনের অন্যতম কারণ সোশ্যাল মিডিয়া।
কিভাবে..?
সোস্যাল মিডিয়ায় অন্যের নিখুঁত জীবন দেখে অনেকে নিজেদের জীবনকে অসম্পূর্ণ মনে করে। অন্যের সাফল্য, ভ্রমণের ছবি, বা সুখী সম্পর্ক দেখে মনে হয় যেন তার নিজের জীবনটা মূল্যহীন। এই তুলনা থেকে আসে দুশ্চিন্তা, হতাশা এবং বিষণ্ণতা।

FOMO (Fear of Missing Out):

যব উই মেট মুভিটা মনে আছে..? যেখানে গীত একটা অদ্ভুত দ্বিধা ভয়ে আক্রান্ত, তার মনে হচ্ছে সে যেন ট্রেন মিস করবে। ঠিক এটাই হয় আমাদের। অর্থাৎ 'কিছু একটা মিস করার ভয়'।কিভাবে..?
সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন আমরা দেখি ডিজিটাল দুনিয়ার বন্ধুরা কোথাও ঘুরতে যাচ্ছে, পার্টি করছে বা নতুন কিছু অর্জন করছে, তখন আমাদের মনে হয় আমরা বুঝি জীবনের অনেক কিছু মিস করে যাচ্ছি। এই ভয় আমাদের ক্রমাগত অনলাইন থাকতে বাধ্য করে।

(Low Self-Esteem)আত্মমূল্য কমে যাওয়া
এই সোস্যাল মিডিয়ায় লাইক, কমেন্ট বা শেয়ারের ওপর আমাদের আত্মসম্মান নির্ভর করতে শুরু করে। যথেষ্ট লাইক না পেলে মনে হয় যেন আমরা যথেষ্ট জনপ্রিয় নই বা আমাদের কোনো মূল্য নেই।জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য বিধেয় ধ্যান জ্ঞান লক্ষ্য এবং মোক্ষ লাভ শুধুমাত্র ভাইরাল হওয়াতেই। এছাড়াও আছে সাইবারবুলিং বা নেতিবাচক মন্তব্য যা আত্মসম্মানকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে ব্যক্তিকে মারাত্মক ভাবে ডিপ্রেশনের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

ঘুমের দফারফা
রাতে ঘুমানোর আগে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করলে ফোনের নীল আলো মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয় ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়, বা ঘুমের মান খারাপ হয়।যার অনিবার্য ফল সারাদিন পর্যাপ্ত এনার্জির অভাব, ক্লান্তি।

২. শারীরিক ভাবে যে নেগেটিভ প্রভাব গুলো দেখা যায় সেগুলো হলো

দৃষ্টিশক্তির সমস্যা
একটানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে চোখে চাপ পড়ে, চোখ শুষ্ক হয়ে যায়, জ্বালা করে এবং দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে।

শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা অলসতা

সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় কাটানোর অর্থ হলো শারীরিক কার্যকলাপের জন্য সময় কমে যাওয়া। ফলে মোটা হওয়ার প্রবণতা বাড়ে, হৃদরোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

ঘাড় ও পিঠের ব্যথা

দীর্ঘক্ষণ ফোন বা কম্পিউটারে ঝুঁকে থাকার ফলে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হতে পারে।

৩.সোস্যাল মিডিয়ার অন্যতম নেগেটিভ প্রভাব সামাজিক সম্পর্কের অবনতি:

অবাস্তব সম্পর্ক:
সোশ্যাল মিডিয়া অসংখ্য 'ফ্রেন্ড' বা 'ফলোয়ার' থাকলেও এই সম্পর্কগুলো প্রায়শই অগভীর হয়। বাস্তবে মানুষের সাথে মুখোমুখি যোগাযোগের দক্ষতা কমে যায়, যা সত্যিকারের গভীর সম্পর্ক তৈরিতে বাধা দেয়।

পরিবারের সাথে দূরত্ব:

পরিবারের সদস্যদের সাথে একই ঘরে বসেও অনেকে নিজেদের ফোনে মগ্ন থাকে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সত্যিকারের যোগাযোগ কমে যায় এবং দূরত্ব তৈরি হয়।

৪.প্রোডাক্টিভিটি ও কনসেন্ট্রেশন কমে যাওয়া

কাজ বা পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটাতে এই ডিজিটাল দুনিয়ার জুড়ি মেলা ভার।বারবার নোটিফিকেশন চেক করা বা স্ক্রল করার প্রবণতা কাজ বা পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট করে। ফলে উৎপাদনশীলতা কমে যায় এবং কাজ শেষ করতে বেশি সময় লাগে।

সময় অপচয়:
ঘণ্টার পর ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করে কেটে যায়,কখনো কখনো অজান্তেই। যে সময় টা আমরা অন্য কোনো গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারতাম।

(Fake News):
সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভুল খবর বা ভুল তথ্য গুজব ছড়িয়ে পড়ে, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে এবং তৈরি করতে পারে সামাজিক অস্থিরতা।

আচ্ছা এই আসক্তির কারণ কি..?

সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তির পেছনে কিছু মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া কাজ করে।

সাইকোলজিক্যাল গেম

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে আপনি যতটা সম্ভব বেশি সময় সেখানে ব্যয় করেন। তাদের অ্যালগরিদম আপনার পছন্দ অনুযায়ী কন্টেন্ট দেখায়, যা আপনাকে আরও বেশি করে আসক্ত করে তোলে।


ডোপামিন রিলিজ:

প্রতিটি লাইক, কমেন্ট বা নতুন নোটিফিকেশন আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক এক ধরনের 'ভালো লাগার হরমোন' নিঃসরণ করে, যা আমাদের আরও বেশি করে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে উৎসাহিত করে।

কখন একটি লাইক বা কমেন্ট আসবে, এই কৌতুহল আমাদের বারবার মোবাইল চেক করতে উৎসাহিত করে। এটা জুয়ার আসক্তির মতোই কাজ করে।

অনলাইনে অন্যের কাছ থেকে প্রশংসা বা স্বীকৃতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমাদের আসক্ত করে তোলে।

তাহলে যা বোঝা যাচ্ছে বিষয় টা তো বেশ সিরিয়াস। কি ভাবছেন বন্ধুরা এই ভয়ংকর মোহময় ডিজিটাল নেশা ছাড়াতে এইবার "মোবাইলের নেশা মুক্তি কেন্দ্র" বা "গোপনে মোবাইলের নেশা ছাড়ানো হয়" এইসব সংস্থার দারস্থ হতে হবে..?

না তা নয় এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসা অনায়াসে সম্ভব শুধু তার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা, দৃঢ় সংকল্প এবং কিছু কৌশল অবলম্বন করা।
যেগুলো নিয়ে আলোচনা করবো পরের পর্বে।

ভালো থাকুন আলোয় থাকুন সবসময় সপরিবারে আমার প্রতিটি বন্ধু। 🙏❤️

#মনোজিতা
#lifecoachjayatichatterjeemonojita
#socialmedia
#socialmediamanagement
#MentalHealthSupport
#mentalhealthsupportgroup
#mentalhealthawareness

5 months ago | [YT] | 2

JAYATI CHATTERJEE

#জন্মাষ্টমী_এবং_সনাতন_অর্ন্তনিহিত_যোগতত্ব

জন্মাষ্টমী হল ভারতের এক বিরাট ধর্মীয় অনুষ্ঠান।সমস্ত ভারতবাসী এই দিনটিকে পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।ভগবান শ্রী কৃষ্ণর জন্মের কাহিনীর মধ্য দিয়ে কি ভাবে মুনিঋষিরা মানুষকে যোগসাধন বোঝাতে চেয়েছেন তা একটু আলোচনা করা যাক।

পিতা বসুদেব ও মাতা দেবকীর কোলে কংসের কারাগারে মথুরায় জন্ম নিলেন শ্রী কৃষ্ণ। তারপর কংসের ভয়ে পিতা বসুদেব শিশুকে রাতের অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে রাখলেন নন্দের ঘরে যশোদার কাছে যমুনার ওপারে।শিশুকে নন্দের ঘরে নিয়ে যাবার সময় প্রকৃতি ছিল মধ্যনিশার গভীর অন্ধকারে আচ্ছন্ন,প্রবল ঝড় বৃষ্টিতে পরিকীর্ণ। সামনে শৃগাল পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে,মাথার উপর পঞ্চমুখী সাপ ছাতার মতো আগলে রেখেছে, পিতার কোলে শিশু ভগবান। সামনে খরস্রোতা নদী পার হতে হবে।এই হল শ্রী কৃষ্ণর জন্মের সংক্ষিপ্ত কাহিনী।

এর মধ্য দিয়ে সনাতন যোগতত্ত্ব কিভাবে ব্যক্ত হয়েছে দেখা যাক।

পিতা বসুদেব হলেন স্থির প্রাণ,মাতা দেবকী চঞ্চল প্রাণের অবস্থানস্থল এই দেহ।নন্দ হলেন স্থিতি এবং যশোদা হলেন স্থিতি যশ,কংস হলেন মায়া,কারাগার এই দেহ।কৃষ্ণ হলেন প্রাণকৃষ্ণ অর্থাৎ অবিনাশী কূটস্থকৃষ্ণ।

স্থির প্রাণকৃষ্ণ চঞ্চল প্রাণকৃষ্ণ রূপে এই দেহকারাগারে আবদ্ধ হয়ে মনুষ্যরূপে পৃথিবীতে এলেন।
মাতৃজঠরে থাকাকালীন শিশু থাকে কূটস্থের স্থির বিন্দুতে ধ্যানমগ্ন অবস্থায়।তার জিভ ওলটানো থাকে।শ্বাস চলে সুষুম্নায়।সে তখন স্থির প্রাণে রয়েছে।জন্মের পর শ্বাসের গতি ইড়া পিঙ্গলায় চলতে শুরু করে,তার প্রাণ আসে চঞ্চলতায়।সে তখন থেকেই দুঃখে নিমজ্জিত হয়।

পিতা বসুদেব কোলে তুলে নেন অর্থাৎ স্থির প্রাণ থেকেই যেহেতু চঞ্চল প্রাণের উৎপত্তি হয়,তাই স্থির প্রাণ ই পিতা বা ধারণ কর্তা।চঞ্চলতার জন্য শিশুটির মধ্য উদয় হয় ধীরে ধীরে কামনা বাসনা লোভ মোহ ইত্যাদি।মন চঞ্চল হলে বাহ্যজগতের দিকে ধাবিত হতে থাকে।এমন সময় শৃগাল এসে পথ দেখায়।এ মনের প্রতীক। এই মন যখন কুপ্রভাবের বশ হয় সে কুকর্মে রত হয়,কিন্তু যখন সুস্বভাবের হয় তখন ঈশ্বরমুখী পথে চলতে থাকে।

মাথার উপরের পঞ্চমুখী সাপ ছাতার মতো আগলে থাকে।এই সাপ পঞ্চবায়ুর প্রতীক।প্রাণ,অপান,সমান, ব্যান,উদান।প্রধান এই পাঁচ বায়ুর উপর নির্ভর করে সকলে বেঁচে থাকে এবং কাজকর্ম করে।এবার পেরোতে হবে খরস্রোতা যমুনা নদী, এই নদী জীবন নদী।

কূটস্থের ওপরে যে স্থিরপ্রাণ, সেখান থেকে চঞ্চলতা প্রাপ্ত হয়ে নীচের দিকে প্রাণপ্রবাহ নেমে আসে এবং ঐ প্রবাহ পঞ্চপ্রাণে পরিণত হয়,এর ওপরেই সকলে বেঁচে আছে।জল নিরাকার ব্রহ্মের প্রতীক। অর্থাৎ জীবকে প্রাণকর্ম দ্বারা খরস্রোতা প্রাণপ্রবাহকে স্থির করে কূটস্থে স্থিরব্রহ্মে ফিরে যেতে হবে অর্থাৎ খরস্রোতা যমুনা নদীর পরপারে যেতে হবে।

প্রতিটি জীবের মধ্যেই প্রাণকৃষ্ণ বিদ্যমান, এই তত্ত্বই এই কাহিনী দ্বারা বোঝানো হয়েছে।

আধ্যাত্মিক তত্ত্ব সূত্র
মহান ক্রিয়াযোগী মহামোহপাধ্যায় বাচষ্পতি শ্রী অশোক কুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত বিভিন্ন আআধ্যাত্মিক গ্রন্থাবলী।

#জয়_যোগিরাজ 🙏🙏🙏
#জয়_শ্রীকৃষ্ণ 🙏🙏🙏

5 months ago | [YT] | 1

JAYATI CHATTERJEE

তুমি অন্ন মুখে তুলে দিলে
শীতল জলে জুড়াইলে
তোমার ওই শ্যামলবরণ কোমল মূর্তি
মর্মে গাঁথা
ও আমার দেশের মাটি
তোমার প'রে ঠেকাই মাথা 🙏🙏🙏

#79thIndependenceDay
#IndependenceDay2025
#RabindranathTagore
#lifecoachjayatichatterjeemonojita

6 months ago | [YT] | 3

JAYATI CHATTERJEE

বিক্ষিপ্ত পারিপার্শ্বিকতায় মনকে কিছুটা স্থির করে মনোযোগী হওয়ার কিছু উপায় সম্পর্কে বলবো আজ।

কখনো কি এমন হয়েছে যে, আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, কিন্তু হঠাৎ করেই আপনার মন ফেসবুকের নিউজফিডে বা অন্য কোনো চিন্তায় হারিয়ে গেল।আজকের এই ডিজিটাল যুগে, যেখানে প্রতি মুহূর্তে আমাদের মনোযোগ কেড়ে নেওয়ার জন্য হাজারো জিনিস প্রতিযোগিতা করছে, সেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখাটা সত্যিই এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কি জানেন মজার কথা হলো মনোযোগ ব্যাপার টা অনেকটা মাসলের মতো। সঠিক অনুশীলনের মাধ্যমে কিন্তু একে শক্তিশালী করা যায়। এর জন্য যে খুব বেশি কিছু করতে হবে তাও নয়।
প্রতিদিনের জীবন যাপনে সামান্য কিছু রুটিন মেনে চললেই কিন্তু উল্লেখযোগ্য ভাবে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে কনসেন্ট্রেশনের ওপর।

আপনারা শুরু করতে পারেন ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপ দিয়ে।

১.. 'পোমোডোরো' টেকনিক ব্যবহার করুন। এটা কেমন? ২৫ মিনিট গভীর মনোযোগের সাথে কাজ করুন,তারপর ৫ মিনিটের বিরতি নিন এই ভাবে কাজ করতে হবে। এই ছোট্ট ৫ মিনিটের বিরতি আপনার মস্তিষ্ককে সতেজ করে তুলবে এবং নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করতে সাহায্য করবে।

২..গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত মেডিটেশন বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।এবার সবার পক্ষে প্রাণায়াম ইত্যাদি প্রভৃতি করা সম্ভব নয়। অনেকেই জানেনও না কি ভাবে এগুলো করা উচিত। তাই সহজ পদ্ধতি বলে দিচ্ছি।করবেন কি,প্রতিদিন মাত্র কয়েক মিনিট চোখ বন্ধ করে নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের উপর মনোযোগ দিন।মানে শ্বাস ছাড়া এবং শ্বাস নেওয়ার যে কাজ সারাক্ষণ করলেও সচেতন ভাবে তো করা হয় না, এবার থেকে জাস্ট ৫ মিনিটের জন্য এই কাজটা সচেতন ভাবে করতে শুরু করবেন। এতে হবে টা কি ভাবছেন তো..?
এর ফলে আপনার মন শান্ত হবে এবং বিক্ষিপ্ত চিন্তাগুলো কমে আসবে,মাত্র কিছুদিন অভ্যাস করলেই।

৩.. কাজের সময় মোবাইল ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা এবং একটি গোছানো কাজের পরিবেশ তৈরি করাও অত্যন্ত জরুরি।

৪..পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর খাবার মস্তিষ্কের জন্য জ্বালানির মতো কাজ করে তাই, মনোযোগ বাড়াতে চাইলে নিজের শরীর ও মনের যত্ন নিন।

এই ধরনের ছোট ছোট অভ্যাসের পরিবর্তনই পারে আপনার মনোযোগের ক্ষমতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে তুলতে এবং আপনাকে আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করতে।তাহলে তাড়াতাড়ি শুরু করে দিন বন্ধুরা।

ভালো থাকুন আলোয় থাকুন সবসময় সপরিবারে আমার প্রতিটি বন্ধু। 🙏

#মনোজিতা
#lifecoachjayatichatterjeemonojita
#concentration #focus #mentalhealthsupport

6 months ago | [YT] | 3

JAYATI CHATTERJEE

[রবি ঠাকুর, সত্যি বলতে কি ওই ঠাকুর পদবিটির জন্য ছোট্টবেলায় ভাবতুম বুঝি মা দুগ্গা,কালি,বা শিব ভোলানাথ অথবা শ্রীকৃষ্ণ র মতো রবীন্দ্রনাথও এক ঠাকুর বুঝি।তারপর বড়ো হওয়ার প্রতিটি ক্ষণে তিনি যখন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেলেন আমার মননের সঙ্গে নির্দ্বিধায় অনুভব করতে পারলুম তিনি সত্যিই ঠাকুর। বড়ো জীবন্ত ভীষণ আপন আমার প্রাণের ঠাকুর। আগেও রবীন্দ্রনাথের অনেক গানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা আধ্যাত্মিক উপলব্ধি সম্পর্কে কিছু কিছু লিখেছি, কিন্তু এইভাবে কবিতায় কখনো নিজের অন্তরে রবীন্দ্রনাথ কেমন ভাবে সর্ব অস্থিত্বটুকু জুড়ে রয়েছেন আমার তা লেখা হয় নি।তাই আমার এই লেখাটি আমার নিজের বড্ড প্রিয়। আজ প্রাণের ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে করে পোষ্ট করলুম আমার এই প্রিয় লেখাটিই।🙏]

#আত্ম_রবির_খোঁজে

#জয়তি_চ্যাটার্জি_মনোজিতা

শিশু মনে দিয়েছিলে গেঁথে অমোঘ জিজ্ঞাসার বাণী,
"কাল ছিলো ডাল খালি/আজ ফুলে যায় ভরে/ বল দেখি তুই মালি/ হয় সে কেমন করে..? /
সরল শিশুর সেই জিজ্ঞাসার উত্তর দেন নি কোনো জ্ঞানী।
শুধু বুঝেছিলেম আছে রহস্য একখানি।

শৈশব পেরিয়ে বাল্যের সাথী শিশু ভোলানাথ,
বড়ো হওয়ার প্রতিটি স্তরে অাঁকড়ে ধরেছি তোমার হাত।

ভরা কিশোরী শুনলো যখন তোমার গান,
খুঁজতে চাইলো, চাইলো বুঝতে
সুরে সুরে কার তরে তোমার এমন আহ্বান।

পূর্ণ যৌবনা সেই শিশুটি ডুবলো তোমার সাধনায়,
শুধু তোমায় জানতে বুঝতেই তার দিন যে কেটে যায়।

"আমার চলা যায় না বলা/ আলোর পানে প্রাণের চলা"
কেন...? কেন..? কেন..?
যায় না বলা...?
কি আছে এতো গোপন,এই কি সে গুপ্তধন.....
যা তোমায় করেছে আমার এমন আপন...?

তব "হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে"
যে প্রিয়তমের বাস,
যার বিরহে কাটাতে পারো তুমি অনায়াসে
"দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী দীর্ঘ বরস মাস।"
তোমার কথায় তোমার সুরে পাই যে বারবার
সেই অতীন্দ্রিয়ের আভাস।

যাঁর স্পর্শ তোমাকে করেছে প্রেমিক,
করেছো তুমি বারবার প্রেমালোকের আখ্যান।
বারবার হয়েছো জাগতিক গরলে জর্জরিত,
তবু করেছো দান এই জগৎ সভায় অক্ষয় অমৃত।

জীবন তরঙ্গ মিলায়ে যায় আবারও তরঙ্গ ওঠে
খন্ডে বিভক্ত এই আমার মনন পূর্ণতার পানে ছোটে।
প্রতি ক্ষণের এই অন্বেষণ মম কবে পূরিবে কি জানি,
তোমায় জানা আমার হবে কবে, জানেন অর্ন্তযামী।

তুমি জানো তোমার সৃষ্টি তোমার গান
ভরাবে প্রেমে শ্রদ্ধায় স্নেহে অগণিত পরাণ।
তুমি জানো তুমি আছো থাকবে অন্তরে
বিশ্ববাসী কে যে বেঁধেছো তুমি প্রাণের মন্তরে।

হে মম জীবন ধ্রুবতারা হে পূর্ণ জ্ঞানী
প্রণমি তোমারে বারংবার আমি,
নমি নমি নমি।

©#lifecoachjayatichatterjeemonojita
#lifecoachjayatichatterjeemonojita
#RabindranathTagore
#22sesraban
#feeling

6 months ago | [YT] | 2

JAYATI CHATTERJEE

#অদৃশ্য_যুদ্ধ

সবচেয়ে ভয়ংকর যুদ্ধ ক্ষেত্র মানুষের মন। আর সেই যুদ্ধের প্রতিপক্ষ সে নিজেই।এই দ্বন্দ্বের আরম্ভ আছে কিন্তু এ দ্বন্দ্ব বিশ্রাম বা বিরামহীন।এই যুদ্ধের ক্ষত না তো কাউকে দেখানো যায় না তার যন্ত্রণার যথাযথ গভীরতা ব্যখা করা যায়। এই দ্বন্দ্বই প্রকাশিত হয় কখনো শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতার রূপে কখনো অ্যাংজাইটি,টেনশন, ওভারথিংকিং,ডিপ্রেশন,প্রোক্রাস্টিনেশন, অনিদ্রা অজানিত ভয় ইত্যাদির মাধ্যমে। আমরা শরীর অসুস্থ হলে চিকিৎসা করাই কারণ সেই ভালো না থাকার ব্যাপার টা চোখে দেখা যায়। কিন্তু অন্তরের ভালো না থাকার গল্প রয়ে যায় অন্তরালেই।তাই এ বিষয়ে সচেতনতা বড্ড প্রয়োজন।
ভালো থাকুন মনের আলো জ্বেলে রাখুন সবসময়।

#মনোজিতা
#lifecoachjayatichatterjeemonojita
#mindfulness
#mentalhealthsupport

6 months ago | [YT] | 4

JAYATI CHATTERJEE

#প্রকৃত_সম্পদ_কি..?

আজকের দুনিয়ায় আমরা কাউকে ধনী বা সম্পদশালী হিসেবে যা যা বুঝি সেগুলো হলো তাদের
বিশাল বাড়ি দামী গাড়ি থাকবে মূল্যবান অলংকার পোশাকপরিচ্ছদ পড়বে খুব বিলাস বহুল জীবন যাপন করবে কথায় কথায় বিদেশে বেড়াতে বেড়িয়ে পড়বে ইত্যাদি। তাই তো..?

মানে প্রাচুর্যের সংজ্ঞা এটাই আমাদের কাছে অনেক বেশি বিলাসিতা অনেক বেশি প্রভাব প্রতিপত্তি এবং অনেক অনেক শোরগোলের মধ্যে বাঁচা।

কিন্তু একজন জীবনের ভয়ংকর পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা ব্যক্তির কাছে কিন্তু সম্পদের সংজ্ঞাটা একদম ই আলাদা হবে। সম্পদশালী হওয়ার অর্থ কি এই প্রশ্ন টা যদি এমন কোনো ব্যক্তি কে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যিনি হয়তো দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক অসুস্থতার সঙ্গে যুঝে সুস্থ হয়েছেন, বা এমন কাউকে যিনি বিরাট অর্থনৈতিক ক্ষতি সামলে উঠেছেন বা এমন কেউ যিনি অতি কষ্টে প্রায় ভেঙে যাওয়া সম্পর্ককে সুন্দর করতে সক্ষম হয়েছেন বা যিনি হয়তো কাটিয়ে উঠেছেন উদ্বিগ্নতা হতাশা, ফিরে পেয়েছেন জীবনের প্রতি হারিয়ে ফেলা ভালোবাসা, তিনিই বোঝাতে পারবেন সম্পদশালী হওয়ার আসল অর্থ।

কারণ সম্পদশালী হওয়া মানে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বাংলো দামী গাড়ি থাকা নয়, প্রকৃত সম্পদ থাকে আমাদের অন্তরে,লোকচক্ষুর অন্তরালে।

সত্যিকারের সম্পদ হলো একটা শান্তিপূর্ণ কাজের পরিবেশ পাওয়া। সুস্থ শরীর সুস্থ মনের অধিকারী হওয়া প্রকৃত ভালোবাসার মানুষদের সঙ্গে আনন্দে সময় কাটাতে পারা, দিনের শেষে স্বচ্ছ হৃদয়ে শান্ত মন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়তে পারা অনায়াসে, একটা মুক্ত জীবন কাটাতে পারা যে জীবন টা যাপন করা অত্যন্ত আনন্দদায়ক বোঝা টেনে টেনে নিয়ে যাওয়া নয়,ইঁদুর দৌড়ে ক্লান্ত অবসন্ন হয়ে পড়াও নয়।
প্রকৃত সম্পদ আসলে লুকিয়ে আছে প্রতিটি বহমান মুহুর্তের সহজ সরল উপস্থিতিতেই।

মানসিক শান্তি বড্ড মূল্যবান। অন্তর থেকে শর্তহীন ভাবে সুখী হতে খুশি থাকতে পারাটাই যে সবচেয়ে বড়ো সাফল্য জীবনের। আর এই সদা গতিশীল শোরগোল পূর্ণ জাগতিকতায় শান্ত ধীর স্থির থাকতে পারাটাই যে বড়ো দূর্লভ সম্পদের অধিকারী হওয়া।
মনের শান্তি অর্থ দিয়ে কিনতে পাওয়া যায় না, মেকি সম্পর্ক কখনও শান্তির বিশ্রাম দিতে পারে না।তাই আসল সফলতা কি সেটা বুঝতে হবে গভীর ভাবে। আর তা বুঝতে গেলে যা কিছু বাহ্যিক ভাবে সুন্দর মনে হয় সেটাকেই মূল্যবান ভেবে তার পিছনে ছুটতে ছুটতে অকারণ ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ার অভ্যাস ছাড়তে হবে। মূল্য দিতে হবে সেই কাজ সেই বিষয় গুলোকে যা আমাদের ভিতর থেকে পরিপূর্ণ করে তোলে অন্তর থেকে আনন্দিত অনুভব করায়। কারণ শেষপর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটাই কতটা গভীর ভাবে আমরা জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে পারছি কতটা মুক্ত ভাবে ভালোবাসতে পারছি আর কতটা শান্তির সঙ্গে বিশ্রাম নিতে পারছি।

এটা আমার ব্যক্তিগত চিন্তা কিন্তু আপনাদের কি মতামত জানাতে ভুলবেন না বন্ধুরা। 😊

🖋️ #মনোজিতা
#lifecoachjayatichatterjeemonojita
#selfgrowth
#mentalpeace
#holisticwellness

7 months ago | [YT] | 3