This channel is dedicated to preserving and presenting the philosophy, spirituality, and mystical songs of Lalon Sain.
Lalon was a humanist and spiritual mystic of Bengal who stood against religious orthodoxy, casteism, and social discrimination. His songs reflect deep introspection, a quest for self-realization, and the essence of universal humanity beyond religious or institutional boundaries.
This channel features only the original, philosophy-based songs of Lalon, focusing on themes such as:
Self-inquiry and inner awakening
The concept of the Guru (spiritual guide)
Illusion and existential doubt
The call for human liberation
Critique of organized religion
Salvation through inner realization
We are committed to preserving the purity of Lalon’s thoughts and spreading his timeless vision of truth and humanity.
Purpose:
To digitally archive and disseminate the teachings and philosophy of Lalon Fakir for future generations to discover, reflect upon, and embrace.
লালন সংকলন
Rest in Peace.
গুরু সুনীল কর্মকারের তিরোধানে গভীর শোক প্রকাশ করছি। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা।
2 weeks ago | [YT] | 2
View 0 replies
লালন সংকলন
বাউল সম্রাট আবুল সরকার-এর নিঃশর্ত মুক্তি চাই
বাউল গান শুধু সুর নয়, এটা বাংলার শত বছরের তর্ক, যুক্তি, প্রশ্ন আর মানবিকতার শিল্পধারা। পালা গানের স্বভাবই হলো চরিত্র বদল, রূপ বদল, যুক্তি খণ্ডন, পাল্টা যুক্তি স্থাপন। যেখানে শিল্পী কখনো দেবতা, কখনো পাপী, কখনো জ্ঞানী, কখনো ভক্ত, এই বৈচিত্র্যই গানের নন্দন। এর ভেতরে যে প্রশ্ন উঠে আসে, তা সমাজের অন্ধকার ভাঙার জন্যই, আঘাত করার জন্য নয়।
আজ বাউল সম্রাট আবুল সরকার ইসলাম অবমাননার অভিযোগে কারাবন্দি। অথচ বাংলার বাউল ধারার ইতিহাস দেখলে স্পষ্ট
সিরাজ সাঁই, লালন সাঁই, ফকির আলমগীর, শাহ আবদুল করিম, গুরু আব্দুর রহমান বয়াতি, মতি শাহ, বিজু শাহ এদের গান কখনো সমাজে সহিংসতা বাড়ায়নি।
এই মানুষগুলো মানুষের মুক্তি, মানসিক বন্ধন ভাঙা, সংস্কৃতির বৈচিত্র্য, অন্তরজাগরণের কথা বলেছেন।
একটি পালা গানের সামান্য অংশ কেটে নিলে ভুল ব্যাখ্যা বের করা সহজ।
কিন্তু পুরো গান শুনলেই বোঝা যায় এটা কারও ক্ষতি করা বা কাউকে হেয় করা নয়।
এটা গানের ধারাবাহিক যুক্তিবিন্যাস, সংস্কৃতির এক প্রকৃত উপস্থাপনা।
বাউলরা কখনোই সহিংসতা উসকে দেয় না।
বাউলরা “জ্বি হুজুর” টাইপ আনুগত্য শেখায় না।
বাউলরা প্রশ্ন করে এটাই তাদের সাধনার পথ।
বাংলার মাটির এই ঐতিহ্যকে গন্ডির মধ্যে ঢুকানো যায় না।
গানকে অপরাধী বানানো সংস্কৃতির উপর আঘাত।
আমরা তাই বাউল সম্রাট আবুল সরকারের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।
শিল্পীর স্বাধীনতা রক্ষা হোক।
বাংলার মানবিক বাউলধারা নিরাপদ থাকুক।
2 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
লালন সংকলন
পাপধোয়ার জল
-রবীন্দ্রবন্দোপাধ্যায়
তোমার পাপ ধুয়ে ফেলো।
ভেতরে জমে থাকা শোকের ভারে
তুমি আজও বাঁধা পড়ে আছ।
দুঃখের সাগরে ডুব দাও,
যেখানে ভেসে থাকার নয়,
ডুবেই শিখতে হয় বাঁচার কৌশল।
তোমার পাপ ধুয়ে ফেলো।
জন্ম থেকেই তুমি
একটি ভাঙা আত্মার খণ্ড,
যে কখনো সম্পূর্ণ হতে শেখেনি।
ভাগ্যের ধুলোয় গড়া এক দেহ,
যে নিজেরই প্রশ্নে হারিয়ে গেছে।
জন্ম থেকেই
তুমি অনিশ্চিত, অথচ জেগে আছ।
তোমার চোখে আমি দেখি
সত্যের জন্য এক জ্বলন্ত আকাঙ্ক্ষা,
দহন যার উপাসনা হয়ে উঠেছে।
তুমি মৃত নও
তুমি কেবল ব্যাকুল
চিরঞ্জীবনের স্পর্শের জন্য,
এক ত্যাগের নিশ্চুপ প্রতীক্ষায়।
তুমি প্রার্থনা করো
যেন সময় থেমে যায়,
যেন যবনিকা নামে,
যেন সব শেষ হয় শান্তিতে।
ক্রুশের নিচে দাঁড়িয়ে
তুমি শুনতে পাও নিজেরই আর্তনাদ
অহংকারের আবরণ ছিঁড়ে
এক নগ্ন আত্মা কথা বলে।
মানুষের আনন্দের আড়ালে
যে বিরক্তি আমরা পুষে রাখি,
সেই বিষই আমাদের পরিত্রাণ গ্রাস করে।
জেগে ওঠো
তোমার হৃদয়ের কাঁটাগুলো উপড়ে ফেলো।
জেগে ওঠো
নয়তো নিদ্রিতদের ভিড়ে হারিয়ে যাও,
অভিশপ্তদের সঙ্গে।
তুমি মৃত নও
তুমি কেবল ব্যাকুল,
চিরঞ্জীবনের আকাঙ্ক্ষায়।
তুমি ত্যাগ চাও, মুক্তি চাও,
আর সময়ের শেষ প্রার্থনা করো
যেমন যবনিকা পড়ে,
নিঃশব্দে, অবধারিতভাবে।
শব্দ…
ক্ষমা করা কঠিন
যখন আমরা করুণার উচ্চতা থেকে পড়ে যাই।
শব্দ…
ক্ষমা করা কঠিন
যখন আত্মা নিজের ছায়াকেই সত্য ভাবে,
আর পাপ ধোয়ার জল
বিষ হয়ে ওঠে নিজেরই জন্য।
© Al Robin | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | অনুমতি ছাড়া কপি, পুনঃপ্রকাশ বা নিজের নামে ব্যবহার করা যাবে না।
3 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
লালন সংকলন
শ্রদ্ধাঞ্জলি:
"লালনগীতির মহান গায়িকা ফরিদা পারভীনের পবিত্র তিরোধানে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই। বাংলার সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক গানের ভুবনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
5 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
লালন সংকলন
সোনার বাংলা ও গণতন্ত্র
--রবীন্দ্রবন্দোপাধ্যায়
ছিন্নভিন্ন মানুষ, ভাঙা স্বপ্নের আর্তনাদ,
গণতন্ত্র দাঁড়িয়ে আছে রক্তের বেদনায়।
মুক্তির শপথে বাঁধা হাতগুলো,
তবু খুঁজে ফেরে একটি সমান পৃথিবী।
অন্তিম সেই তেজ,
যা আলো নয়, নিয়ে আসে ছায়ার বিষ।
জ্বলে ওঠা ক্রোধে ছিন্ন হয় শান্তির বীজ,
আর নেভে যায় মানবতার দীপ।
ধ্বংসের মহাকাল গড়ে ওঠে প্রতিটি শ্বাসে,
শত ব্যবচ্ছেদে লেগে থাকা কান্নার চিহ্ন,
কেউ শোনে না, কেউ মনে রাখে না—
ইতিহাস মুছে যায়, নতুন শিকলে বাঁধা পড়ে।
তবু বুকের গভীরে কোথাও,
কিছু স্পন্দন বলে যায়—
মানুষের শরীর ভাঙা যায়,
তবু আশা কখনো পুরোপুরি মরে না।
একদিন, হয়তো, আমরা বুঝব
গণতন্ত্র কেবল শব্দ নয়,
একটি আত্মার মুক্তি।
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
লালন সংকলন
যে দেয়াল ভাঙে
-রবীন্দ্রবন্দোপাধ্যায়
এসো, সমবেত হও
আমাদের সেই মিথ্যে পূজার চারপাশে,
যেখানে আমরা বন্দী হয়ে আছি
নিজেকেই ভুলে যাওয়ার ভেতরে।
আমার একমাত্র কামনা ছিল দাঁড়িয়ে থাকা
শুধু নিজেকে ত্যাগ করার জন্য,
যে আমিকে পিছনে ফেলে আসার জন্য।
আমাদের ঠেলে দেওয়া হচ্ছে আগুনের দিকে,
আর শেখানো হয়েছে সেই মন্ত্র:
দেয়ালের ভেতরেই সব শুরু, সব শেষ।
কিন্তু আজ সন্তানদের বুকে টেনে নাও,
ওদের কানে বলো, "সব ঠিক হয়ে যাবে,"
বলেই দাও, তুমি ওদের ভালোবাসো।
হয়তো এটি মিথ্যে সান্ত্বনা,
কিন্তু ভয়কে থামানোর জন্য দরকারি।
তারপর ফিরে তাকাও নিজের দিকে।
নিজের সত্তাকে প্রশ্ন করো,
উত্তর খুঁজো ভেতরের অন্ধকারে।
আমরা কারা?
এই অর্থ খুঁজতেই তো হাঁটছি ঝড়ের মধ্যে।
কোনো একদিন আমাদের ভুল পথে আনা হয়েছিল।
আমরা ভেবেছিলাম, সব চাইতে হবে।
কিন্তু আসলে সবকিছু চাওয়াই হলো দারিদ্র্য।
সত্যিকারের ধনী সে-ই,
যে মুক্ত, যে ঘুমন্ত মানুষদের জাগাতে পারে।
মাথা নেড়ে ঝাঁকাও,
জাগ্রত করো ভেতরের জন্তুটিকে।
পালিয়ে যাও এই দেয়াল থেকে।
বন্যতাকেই করো তোমার ঘর।
গাছ রোপণ করো,
কিন্তু মানুষ হত্যা কোরো না
বরং মেরে ফেলো নিজের অন্তর্গত হিংসাকে।
তোমার পথই বলে দেবে তুমি কে,
তোমার স্বপ্নই আঁকবে তোমার আসল পরিচয়।
বন্ধুদের চোখে তাকাও।
তাদের সামনে দাঁড়াও
তোমার সেই সত্যিকারের রূপ নিয়ে,
যা আয়নায় প্রতিফলিত হয়।
দানবদের দেখো
আজ তারা তোমার পাশে ঘুমোচ্ছে,
কিন্তু একদিন
তোমাকে একা ফেলে চলে যাবে।
মুক্তি কোনো স্থান নয়
এটি এক আদিম স্মৃতির জাগরণ,
যখন মানুষ জানত কীভাবে বন্য হতে হয়,
আর বুঝত বেঁচে থাকার অর্থ।
5 months ago (edited) | [YT] | 0
View 0 replies
লালন সংকলন
আত্মার অন্তর্গত অন্বেষণ
-রবীন্দ্রবন্দোপাধ্যায়
তুমি হাত বাড়াও
মনের গভীর অলিন্দে,
যেখানে শব্দ জন্ম নেয় নীরবতার গর্ভে
আর আত্মা বন্দি হয়ে বসে থাকে
নিজেরই চোখের পেছনে,
এক অনন্ত প্রতীক্ষায়।
রক্ষা করো
তোমার ভেতরের সেই আগুনকে,
যা একদিন জ্বলে উঠেছিল
নির্বাণের নামে আত্মদহন করে।
জীবনের চেয়ে ভয়ঙ্কর কোনো ভাগ্য
তাকে ফেরাতে চায় অতীতে,
যেখানে সময় নিজেই ছিল কারাগার।
আমি দেখি
আমার অস্তিত্ব বাষ্প হয়ে মিলিয়ে যায়
দৃশ্যমান বাস্তবতার প্রান্তর থেকে।
আমি আগুন, অথচ নিজেই ভয় পাই
নিজের শিখার তীব্রতা অথবা,
তীব্রতাহীন নিস্তব্ধতা।
কিন্তু সত্যি কি আমরা হতে পারি
সেই স্বপ্নের মানুষটি
যদি না দাঁড়াই নিজের ছায়ার মুখোমুখি?
যদি না টেনে বের করি সে সব ভয়
যা আমাদের চোখ বন্ধ রাখতে শেখায়,
মুক্তির আলোর সামনে?
আবার হাত বাড়াও
তোমার মনের আকাশে,
যেখানে মহাবিশ্ব নয়,
তুমি নিজেই নিজের অনন্ত।
সেই অন্ধকার আলিঙ্গন করো
যেটা তুমি আজও এড়িয়ে গিয়েছো
কারণ একমাত্র তা-ই জানে
আলো কেমন করে জন্ম নেয়।
6 months ago | [YT] | 1
View 0 replies