আসুন হুজুক আর সুযোগের বেড়াজাল এড়িয়ে, সত্যকে খুজি। মানুষ কে ভালোবাসি। একে অপরের জন্য বেচে থাকি।
অতীত হলো মৃত, আর ভবিষ্যৎ, কি তা আমরা জানি না, সত্য শুধু এই বর্তমান, এই এখন।
চলুন, নিজেকে খুজি। জাত, ধর্ম, বর্ণ কিংবা ক্ষমতা / শক্তি, কখনো কাউকে পরিমাপের কাঠি হতে পারে না, আমি এর স্পষ্ট বিরোধিতা করি।
এরই সাথে সমাজে প্রচলিত - 'সফলতায় তালি ও ব্যর্থতায় গালি' এই সংস্কৃতি থেকেও বের হয়ে আসি।
ধন্যবাদ!
--------------
Let's break free from the webs of prejudice and opportunity, and seek the truth. I love people. I exist for the sake of others.
What's gone is past, and what the future holds, we do not know; truth lies only in the present, in this moment. I search within myself.
Race, religion, color, or support should never be the measuring stick for anyone; I vehemently oppose this notion.
From the prevalent culture in society - 'Applause in success and scorn in failure' - diverge. Thank you!"
#Bangla #Philosophy #Culture #Society #YouTube #humanity


Washimul Islam

যেকোনো বিষয় বা টপিক এর উপরে কথা বলতে আলোচনা / পডকাস্ট করতে পারেন আমার সাথে।
দয়াকরে এই লিঙ্ক থেকে রেজিস্ট্রেশন করুন, আমি আপনাকে কল করে যোগাযোগ করবো -
forms.gle/6WiWrVbrcSBTHfYv6

Thank you!

1 year ago | [YT] | 1

Washimul Islam

🎮 Exciting Podcast Alert! 🎙️

Let's Discover Computer Gaming with Generation Alpha - A Session with Farhan Zarif.
We'll dive into the world of gaming, exploring:
🕹️ Favorite games and why they stand out
🎯 Tips and tricks for gamers of all levels
🔥 The exciting trends shaping the future of gaming

It’s a session packed with fun, insights, and a fresh perspective you won’t want to miss!

💬 Got questions about gaming? Drop them in the comments below, and we might include them in the podcast!

🎧 Stay tuned for the release date and join us in this exciting journey into the gaming universe!

🎮 Guest: Farhan Zarif, a passionate computer gaming enthusiast
🎙️ Host: Washimul Islam

#GamingPodcast #ComputerGaming #GenerationAlpha #FarhanZarif #LearnWithWashimul

1 year ago | [YT] | 3

Washimul Islam

একদা এক জংগলে বড় বিপদ দেখা গেলো - মহামান্য, হীন্মান্য সব পশুরা পড়লো এক বড় বিপদে
-
ঘটনা হইলো - ইদানিং, বাঘ যারে তারে ধরে এক এক করে খাওয়া শুরু করে দিছে, পশু সমাজের জন্য তখন যেটা মেনে নেয়া কঠিন, ঘোর বিপদে, জীবন মরণ বিপদ, সবাই খুব হতাশ - ঘোড়া, বিড়াল, গরু, মহিশ, বাচ্চা শূয়র, গাধা সবাই আছে দৌড়ের উপরে, - -

এমন অবস্থায় সবাই মিলে এক আলোচনা বৈঠকে বসল,
বাঘের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ, নিন্দা, প্রস্তাব, অনেক আলোচনা - শেষে সবাই মিলে ঠিক করলো, বাঘ কে এই মিটিংএ ডেকে নিয়ে আসবে, এবং তাকে বুঝিয়ে বলা দরকার এবং দেখানো দরকার তার বিরুদ্ধে কত অভিযোগ, কত নিন্দা, কত পশুর কত ধিক্কার, তাও ভালো ভাবে অন্তত বলা দরকার -
“ভাই তুমি যে, এই প্রতিদিন আমাদের একটা একটা ধরে খাইতেছো, এতো খাইয়ো না, ধীরে সুস্থে খাও, মিলায়া, ঝিলায়া, আস্তে ধীরে খাও…তা না হলে তো আমরা সবাই তোমার পেটে চলে যাবো, পরে তুমি নিজেই খাবার পাবা না, সঙ্গীও পাবা না!! …”

কিন্ত বিপত্তি হলো, বাঘ কে তো ডেকে নিয়ে আসতে হবে!!
- কে যাবে বাঘ কে ডাকতে?
ডাকতে গেলেই তো দিবে ঘাড়ের উপরে একটা কামড়।
- এমন সাহস কার আছে?

যাই হোক অবশেষে মহা সাহসী “কচ্ছপ” ব্যাটা বললো, আমি যাবো।
আমার যেহেতু গায়ে মোটা খোলস আছে, আমারে খাইতে পারবে না, আমিই যাই।

সবাই বললো, বাহ বাহ, সাবাস, সাবাস । ।
যাও তবে, আমরা অপেক্ষা করি।

কচ্ছপ বাঘকে ডাকতে রওনা হয়ে যাওয়ার কিছুক্ষন পরে সবাই মিলে আবার আলোচনা শুরু করলো,
অনেকেই অনেক কিছু বলতে লাগলো যেমন, -

গরু বললো - “এই যে কচ্ছপ কে পাঠিয়েছেন, তার যাইতে আসতে তো মনে হয় দিন পার হয়ে যাবে, হাম্বা - হাম্বা …”

গাধা – “কচ্ছপ এত ধীর, যে সে যাইতে ও আসতে মিটিংই শেষ হয়ে যাবে।“

হরিণ বলল - “ভাইয়েরা, ও আসতে আসতে দুপুর থেকে রাত হয়ে যাবে, আমি সিউর”

আরো কিছুক্ষন সময় যাওয়ার পরে সবাই একসাথে বলতে শুরু করলো – “আসলেই, মনে হচ্ছে কচ্ছপ রে পাঠানো ভুলই হইলো কিনা - - - বুঝতেছিনা!”

হুক্কা হুয়া - - -

কিছুক্ষন নীরবতা - সবাই ভাবছে - হায় হায় - হায় হায় -

হঠাৎ করে মিটিং এর দরজার পিছন থেকে কে যেনো কথা বলে উঠলো –

“এই যে - এই, শুনেন -
আমি কিন্তু সব শুনতেছি, হুম
- আমারে নিয়া এতো সমালোচনা করলে, আমি কিন্ত যামু না!”


এই কথা শুনে সবাই মোটামুটি অজ্ঞান - হায় হায়, এত ক্ষনে কচ্ছপ দরজাই পার হয় নাই!!!!

1 year ago | [YT] | 1

Washimul Islam

"আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট - তার খুব কাছে বন্ধু "ক্লিটাস" কে হত্যা করেছিলেন [328 BCE] খুব সাধারন একটা তর্কের মধ্যে, অথচ ক্লিটাস আগের এক যুদ্ধেই [ʙᴀᴛᴛʟᴇ ᴏꜰ ᴛʜᴇ ɢʀᴀɴɪᴄᴜꜱ ʀɪᴠᴇʀ] আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট কে একেবারে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাচিয়েছিলেন। [334 BCE.] "

🔎
একাডেমিক বা পিওর রিসার্চ গুলো কখনো মানুষের স্বাভাব্জাত বেঁড়ে ওঠার বিষয়ে কিছু কথা বলে না, যেমন – “মিথ্যা” । মানুষ সাধারণত কেনো মিথ্যা কথা বলে? মানুষের সহজাত মিথ্যা বলা না বলা থেকেও, অরেকটি দারুন / মজার বিষয়ের প্রায় পিওর কিছু রিসার্চ আছে, যেমন –

✊ “বীরত্বের সাথে বোকামির সম্পর্ক।“ 🎭

যেটার রিসাচ টপিক অনেকটা এ রকমের
----
"𝙏𝙝𝙚 𝙄𝙢𝙥𝙖𝙘𝙩 𝙤𝙛 𝘽𝙧𝙖𝙫𝙚𝙧𝙮 𝙤𝙣 𝙋𝙚𝙧𝙘𝙚𝙞𝙫𝙚𝙙 𝙁𝙤𝙤𝙡𝙞𝙨𝙝𝙣𝙚𝙨𝙨: 𝙄𝙣𝙫𝙚𝙨𝙩𝙞𝙜𝙖𝙩𝙞𝙣𝙜 𝙩𝙝𝙚 𝙍𝙚𝙡𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣𝙨𝙝𝙞𝙥 𝘽𝙚𝙩𝙬𝙚𝙚𝙣 𝘾𝙤𝙪𝙧𝙖𝙜𝙚 𝙖𝙣𝙙 𝙍𝙚𝙘𝙠𝙡𝙚𝙨𝙨𝙣𝙚𝙨𝙨 𝙞𝙣 𝙋𝙚𝙧𝙨𝙤𝙣𝙖𝙡 𝙖𝙣𝙙 𝙎𝙤𝙘𝙞𝙖𝙡 𝘾𝙤𝙣𝙩𝙚𝙭𝙩𝙨."

💡
বিশেষ করে যে ধরনের রিসার্চ গুলো, সম্পর্ক বা 𝐈𝐦𝐩𝐚𝐜𝐭 নির্ধারণ করে, সে সব ক্ষেত্রে “কোরিলেশন কো-ইফিসিয়েন্ট” / “correlation coefficient” এর মান বের হলেই রিসার্চ ফলাফলের কোয়ান্টিফাই বা এক্সাক্ট / সহজ চেহারা বের হয়ে যায় – যা সরাসরি +১ থেকে -১ বা এর মধ্যে হবে, অন্য কিছু হওয়ার চান্স নাই।

Bravery এবং Foolishness
কে দুইটি এক্সিস
“X” & “Y” তে ভাগ করে যদি এরকম মান ধরা হয় –
Bravery (X): [9, 8, 7, 6, 5, 4, 3, 2, 1, 0]
Foolishness (Y): [2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11]
r=[n∑X2−(∑X)2][n∑Y2−(∑Y)2]n(∑XY)−(∑X)(∑Y)
এই ভজগট কিন্তু মহামূল্যবান ফর্মুলার ফলাফল আসে এই রকম –
r=825.0−825=−1.0 ;

🔣🔣
অর্থাৎ - 𝘾𝙤𝙧𝙧𝙚𝙡𝙖𝙩𝙞𝙤𝙣 𝘾𝙤𝙚𝙛𝙛𝙞𝙘𝙞𝙚𝙣𝙩
r=−1.0r = -1.0r=−1.0

যার মান হলো মাইনাস ১

📑
এর সহজ মানে হলো 💡
সাহসিকতার সাথে বোকামির একটা শক্ত সম্পর্ক আছে।

✍️ যা পরস্পর একে অন্যের সাথে নেগেটিভ ভাবে চলে এবং,
স্পষ্ট করে যে সাহসিকতার মান নিচের দিকে গেলে মূর্খতা উপরের দিকে যায়, আবার সাহসিকতার মান উপরের দিকে গেলে মূর্খতা/ বোকামি নিচের দিকে যায়।

📌
কিছু রিসার্চ জার্নাল মানুষের মিথ্যা বলা নিয়ে খুব সুন্দর ভাবে ভাগ করেছেন, যেটার প্রক্রিয়া অনেকটা জটিল, তবে মিথ্যা বলা যদি অভ্যাস বা হ্যাবিট হবে তবে তা কোনো, হিসাবের মধ্যে পরবে না। ❗❗

🙏
[*** – পিওর রিসার্চ খুবই কঠিন সাধ্য ও সম্মানজনক একটি কাজ, যা আমার মত সাধারন মেধার লোকজনে জন্য তো নয়ই। যারা এই সম্পর্ক গুলো স্থাপন করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, সম্মান, শ্রদ্ধা]

1 year ago | [YT] | 0

Washimul Islam

বেদম মার খেয়েছেন স্বঘোষিত ‘হিরো’ হিরো আলম, দেখলাম তাকে চ্যং দোলা করে আদালত চত্বর থেকে বের করা হচ্ছে। আবার দেখলাম, কান ধরিয়ে উঠ – বস ও করানো হচ্ছে।


হিরো আলমের কোনো ভিডিও বা তার সৃষ্ট কোনো কলার ভক্ত আমি নই বা তেমন দেখিও নাই।
পছন্দ – অপছন্দ পরের ব্যাপার, যেহেতু আমি নিজেই বিশ্বাস করি এই গুলো সাব্জেটিভ ম্যাটার, অর্থাৎ আমার কাছে যাহা পছন্দ আপনার কাছে তাহা জগন্য মনে হতে পারে, এতে অপরাধের কিছু নাই।


তা, হিরো আলমের মামলা করার অধিকার রয়েছে ১০০%, কিন্তু আপনার তাকে হামলা করার অধিকার কিন্তু নাই।
ইহা আমরা বুঝতে পারতেছিনা কেনো??


একটি মায়ের দুইটি কুড়ি ‘এ’ আর ‘বি’ না হলেই হলো। মানুষ কিন্তু এসব মেনে নিবে না। জাগরণ হয় ধীরে ধীরে আরো ধীরে, অনেকটা ইভ্যুলেশনের মত, চোখে পরে না হয়ে গেলে কিছু করার থাকে না।
গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার রক্তে যেনো শরবত বানানো না হয়।




পুরাতন গণতন্ত্র এর একটা ছোট গল্প বলি –
“এক বনে ছিলো দুইটা বাঘ ও একটা হরিণ তারা সভ্য ভাবে পুরাতন গণতন্ত্র মেনে নিয়েছিলো। এক দিন তারা দুপরে কি দিয়ে লাঞ্চ করবে এই নিয়ে ভোটাভুটি হচ্ছিলো, তো দুই বাঘ মিলে হরিণকে ভোট দিয়ে তারা হরিণের মাংসে দুপুরের লাঞ্চ সারলো।“
যাই হোক বেশি ভোট যেদিক গেছে ফল সেটাই হয়েছে।




অধুনিক ডেমক্রেসি কিন্তু এটা না, বর্তমান সভ্যতার গণতন্ত্র কিন্তু স্রেফ ভোটের জয়ে ব্যাক্তির গান না, এই গণতন্ত্রে – কালা-ধলা, হিন্দু-মুসলিম, ল্যাংড়া – জুয়ান, সবার অধিকার ও প্রাপ্য তার মৌলিক চাহিদা অনুসরে পূরণ করতে বাধ্য, এবং বিচার ও দাবিতে এক ও অভিন্ন।



উদ্ভট উঠের পিঠে প্রিয় বাংলাদেশ আর না চলুক।

1 year ago | [YT] | 2

Washimul Islam

"মানুষ, মানুষে মানুষে - মানুষ যেনো শুধু শান্তি , প্রেম, ভেদাভেদ - হানাহানি, পার্থক্য এর বেড়াজাল হীন, কল্পনার এক অভাবনীয় সুন্দর পৃথিবী যেখানে সকল মানুষ সবাই এক সাথে বেঁচে আছে ,নেই কোনো মৃত্যু নেই কোনো যন্ত্রণা - বিখ্যাত কবি, শিল্পী - 'জন লেনন' এর জগত বিখ্যাত এক গান 'ইমাজিন' এর মত করে সত্যিই যদি এমন হতো -


Imagine
Lyrics by: John Lennon -----------------


Imagine there's no heaven
It's easy if you try
No hell below us
Above us only sky
Imagine all the people living for today.........
You may say I'm a dreamer
But I'm not the only one
I hope someday you'll join us
And the world will be as one

1 year ago | [YT] | 2

Washimul Islam

কোটায় এত কঠিন্য, এত রক্ত, এত বিসর্জন! শুধু মাত্র সংস্কার বৈ আর কি? তা না হলে, আসছে ফাল্গুনে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হবে।
ইতিহাসে ছাত্র আন্দোলন সব সময়ই সব চেয়ে সফল, বড় ও দেশব্যাপী ছড়িয়ে পরা মুভমেন্ট গুলোর মধ্যে অন্যতম, বিশেষ করে বাংলাদেশ এমনকি, স্বাধীনতা পূর্ব সময় থেকেই যেকোনো ছাত্র আন্দোলন উল্লেখযোগ্য। সেই ১৯৫২ আমদের মুখের ভাষা, প্রিয় বাংলা এই ভাষাকে রক্ষা করা নিয়েও জীবন দিতে হয়েছিলো সাহসী সেসব ছাত্রদের।
যাদের বুক যেনো ছিলো এক একটি খোলা মাঠের মত, আকাশের মত বিশাল আর নির্ভয়, জীবন ত্যাগের মহান উল্লাস।
এই কোটা অন্দোলন এবারই প্রথম না, এইভাবে বড় করে দেশব্যাপী এর আগে আন্দোলন হয়েছিলো ২০১৮ সালে, প্রতিটি ইউনিভার্সিটিতে ছড়িয়ে পরেছিলো, শহর নগর পেরিয়ে সব জায়গায়।
আমারা স্পস্ট মনে আছে সেই সময়েরও সেই আন্দোলন ছিলো কোটা সংস্কার নিয়ে, কোটা বা এই বিশেষ সুবিধা বাতিল চেয়ে না, একটি গনতাক্রিক দেশে কখনো এই ধরনের সুবিধা একেবারে বাতিল হতে পারে না, তাতে করে অনেক ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এর সাথে একটা বিষয় ক্লিয়ার হওয়া দরকার, “পৃথিবীর অন্য আর কোনো দেশে এই ধরনের কোটা নেই!!” এই দাবিটি কিন্তু সঠিক নয়। বাস্তবে ব্যাপারটি সেরকম নয়। আমরা যেটাকে কোটা বলি এই শব্দ টা একটু ভিন্ন হয়ে অনেক দেশে এমনকি উন্নত ইউরোপ, আমেরিকাতেও এই কোটা রয়েছে, সেটাকে অনেকটা বলা হয় – প্রিফারেন্সিয়াল, অথবা যারা সমাজে একটূ সুবিধা বঞ্চিত বা অনগ্রসর তাদের জন্য, এই যেমন – ব্ল্যাক পিপল দের জন্য কোটা আছে, ডিসেবল বা প্রতিবন্ধী / বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের জন্য রয়েছে এছাড়াও কর্ম ক্ষেত্রে বা শাসন ব্যবস্থায় ও উল্লেখযোগ্য পদে নারীদের অংশ গ্রহন রাখতে নারীদের জন্য একটা বিশেষ কোটা বা প্রিফারেন্স / বেনিফিসিয়ারি রাখা হয়। - এটা হলো বিশ্বব্যাপী অন্যন্য দেশ বা উন্নত দেশের ব্যাপার। গুগল করলে আরো বিস্তারিত জানতে ও পড়তে পারবেন।
এখন আমাদের দেশেও এই কোটা ব্যব্যস্থা চালু হয়েছিলো, ছিলো বা আছে ঠিক একই কারণে এমনকি, স্বাধীনতা পূর্ব থেকে এই পূর্ব পাকিস্তানের জন্যও কিন্তু পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস এ কোটা ব্যবস্থা ছিলো। ব্যাপার হলো সময়ের ব্যবধানে এই বিন্যাস পরিবর্তন হয়েছে, আমদের দেশেও হয়েছে,সর্ব প্রথম বাংলাদেশে যেই রকম কোটা সংখ্যা ছিলো এখন কিন্তু তার অনেক অংশ ই পরিবর্তন হয়েছে।
কিন্তু সমস্য হলো এখন বাস্তবিক যেই অবস্থা সেখান থেকে এই সংখ্যার বিন্যাস কমিয়ে নিয়ে আসা একটা শক্তিশালী ও জাতীয় দাবি হয়ে উঠেছে,উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সরকার পুরো কোটা ব্যবস্থাকেই বাতিল করে দেয়, যদিও সেটা সে সময়ের দাবি ছিলো না।
কিছু কিছু কোটা সব সময়ই থাকবে যেমন – যারা শারীরিক ভাবে অক্ষম / ডিসাবিলিটি আছে বা প্রতিবন্ধী, পার্বত্য বা দুর্গম স্থানের বসবাস করা মানুষ, এছাড়াও নারী ও অন্যন্য এর বিন্যাস সঠিক ভাবে হওয়া দরকার।
পি এস সি নিজেও কিন্তু অনেকবার নিজে থেকে এই কোটা সংস্কার এর প্রস্তাব করেছিলো।
দেশের একটা দায় কিন্তু সব সময়ই থাকে, পিছিয়ে পরা মানুষ কি শুধু পিছিয়েই পরবে?? যদিও একটা কথা না বললেই নয় প্রতিটা ক্ষেত্রে যেই রকম দুর্নীতি আর গোগ্রাসী আচরণ চলে তাতে এই ব্যবস্থা পরিবতন হলেও আদতে প্রকৃত সমাধান কতটুকু হবে কে জানে?
এই অন্দোলনে অংশ নেয়া বা যারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের আরো স্পট করে বলে দেয়া উচিৎ এটা কোন রাজনৈতিক মুভমেন্ট নয় এবং, এই কারণেই এই অন্দোলন ছড়িয়ে পরেছে পুরো দেশ ব্যাপী। তবে দুঃখের ও সাবধানের ব্যাপার হলো, গর্তে থাকা কিছু কিছু রাজনৈতিক শ্রেনী এটা থেকে বেনিফিট নিতে সামনে আসার বাহানা করছে। ছাত্ররা কখনই এই আন্দোলন দাবি আদায় পরবর্তীতে জিয়িয়ে রাখবে না, আর সেটা হবে ও না।
আরো একটা ব্যাপার স্বরন ও পরিষ্কার করা দরকার যে, আন্দোলনে ৬/৭ জন ইতিমধ্যে মারা গিয়েছে, দল মত নির্বিশেষে তার মানুষ / ছাত্র যেই বা যেভাবেই তাদের মৃত্যু হোক না কেনো এটা নিশ্চিত অর্থে খুন এর বিচার অবশ্যই হওয়া উচিৎ। যাদের পরিবার থেকে এই জীবন ঝরে গিয়েছে তাদের কেই ভুগতে হবে, রাস্টের এখানে একটা বড় দায় তো অবশ্যই আছে, সব ব্যবস্থা তা সেই পরিবারকে পুষিয়ে দিবে?
ইতিহাস থেকে আমরা আসলে কতটুকু শিখি (?) – পিটিয়ে, মেরে, ধরে , বেধে রেখে কি মানুষ কে চেতনা শেখানো যায় বা কোনো কিছু মানিয়ে নেয়া যায়, গন দাবি, দাওয়া দমন করা যায়? রাজা বা সম্রাট দের আমলেও এমতা হওয়া কঠিন ছিলো। বিদ্রোহ বিপ্লব জেগে উঠবেই, যুগ থেকে যুগে, এটাই সত্যি।
রফিক – শফিক এর জায়গায় অন্য কেউ বুক পেতে দিবে, আসদ এর রক্ত মাখা শার্ট অন্য কেউ গায়ে জড়াবে, শামসুজ্জোহা স্যার হয়ে ফিরে আসবে বার বার দুই হাত বাড়িয়ে।
সংস্কারের এই দাবি বিষয়ে ছাত্র দের সাথে খুব দ্রুতই আলোচনা করা উচিৎ যারা নিয়ন্ত্রক আছেন, তাদের উচিৎ যুক্তিযুক্ত পরিবর্তন নিয়ে আসা। বাগড়া দেওয়ার জন্য, কিছু মানুষ সব জায়গায়ই থকবে এই ধরুন – “আমি পাই নাই, তাই আমার আর কোনো চিন্তা নাই”, “আমরা কিছু হয় নাই, তাই আমি আর নাই”, অনেকটা নিজে না পারলে বা নিজে না জনলে অন্য কেও পারতে না দেওয়া, অন্যকেও জানতে না দেওয়া।
চাওয়া এখন, দেশ শান্ত থাকুক, ছাত্র দের মাঝে শান্তি আসুক, বিশেষ করে যারা আহত না নিহত হয়েছে এই হামলা, খুন,মারামারির সঠিক বিচার হোক।
তবে বিদ্রোহ, বিপ্লব, আরো জোরে ঘুরে ফিরে আসুক – দুর্নীতি, ঘুষ, মিথ্যা, প্রতারণ, নিয়োগ বাণিজ্য, দ্রব্য মূলের ঊর্ধ্ব গতি, লাগামহীণ মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্যে ভেজাল, বিচার হীনতা ও সমাজে ঘটমান সকল বৈষম্যের বিরুদ্ধে।
এসব জিনিস ঠিক না হলে বছর ঘুরে ফিরে আবার আসবে, ফাল্গুন থেকে ফাল্গুনে এই সংখ্যা আর বাড়বে, বেঁধে রেখে, পিটিয়ে, শিকল পড়িয়ে, মুখে স্কচটেপ পরিয়ে সেই আগুন নিভানো যাবে না। তাই সকল কে সচেতন হওয়া দরকার,তা নাহলে, আসছে ফাল্গুনে কিন্ত এই সংখ্যা দ্বিগুণ থেকে দ্বিগুণ হবে।

1 year ago | [YT] | 2

Washimul Islam

Dream House - by AI

1 year ago | [YT] | 2

Washimul Islam

"Remal" live update www.windy.com/?24.385,91.125,7

1 year ago | [YT] | 2