Welcome to the official YouTube channel of SA SABBIR, a Bangladeshi public figure and political activist. Here, SA Sabbir shares insightful analysis on social and political issues, exploring the realities of Bangladeshi democracy. His content covers present and historical conflicts, offering political philosophy and solutions for the nation's challenges.

SA SABBIR is dedicated to voicing the thoughts and rights of the common people, focusing on real-world impacts that shape society. He works to build Bangladesh on the foundation of Bengali culture, highlighting its traditions, political reality analysis, historical conflict and solution, through his videos and Shorts.

Join SA SABBIR as he analyzes political and social impacts, delivering meaningful lessons and practical solutions for Bangladesh’s future.

#SocialAnalysis #democracy #politicalphilosophy #newsandpolitics #conflicts #society #RealityAnalysis #bangladesh


SA SABBIR

শহীদ মিনারে হঠাৎ জামায়াত-শিবির: পরিবর্তন নাকি নতুন পরিকল্পনা?

দীর্ঘ ৫৪ বছরের ইতিহাসে দেখা গেছে, জামায়াত-শিবির কখনোই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বা ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেনি। বরং বিভিন্ন সময়ে তারা শহীদ মিনারকে ‘মূর্তি’ বা ‘পৌত্তলিকতা’ বলে সমালোচনা করেছে। এমনকি ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে। তাই হঠাৎ করে শহীদ মিনারের বেদীতে তাদের উপস্থিতি অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

এই ঘটনাকে সাধারণ পরিবর্তন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কয়েকটি বিষয় ভেবে দেখা জরুরি—

প্রথমত, যারা দীর্ঘদিন ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি, তাদের হঠাৎ এই শ্রদ্ধা কি সত্যিকারের মানসিক পরিবর্তন, নাকি রাজনৈতিক কৌশল?

দ্বিতীয়ত, যারা ভাষা আন্দোলনের মূল আদর্শের বিরোধিতা করেছে, তাদের এই নতুন অবস্থান কি ইতিহাসকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা?

তৃতীয়ত, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শহীদ মিনারে তাদের উপস্থিতি কোনো বড় পরিকল্পনার অংশ কি না, সেটিও ভাবার বিষয়।

শহীদ মিনার বাঙালির আবেগ, ইতিহাস ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই এই প্রতীকের সঙ্গে যুক্ত যেকোনো পরিবর্তনকে সচেতনভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। সচেতন সমাজের দায়িত্ব হলো—ইতিহাস ও চেতনার বিষয়গুলো যেন কোনো স্বার্থের কারণে বিকৃত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।

14 hours ago | [YT] | 1,174

SA SABBIR

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক বর্ষিয়ান, তীক্ষ্ণবুদ্ধিসম্পন্ন ও নীতিবান নেতা। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ১৯৭১ সালের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য, এবং বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় ষাটের দশকে ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে, পরে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং সংসদে অসংখ্যবার নির্বাচিত হন।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন বাগ্মী, যুক্তিবাদী ও সাংবিধানিক রাজনীতির এক প্রতীক। সংসদে তার বক্তৃতা ও বিশ্লেষণ রাজনীতির মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি রাষ্ট্রের স্বার্থে কথা বলতেন, যা তাকে একজন প্রজ্ঞাবান ও বিবেকবান রাজনীতিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে—বিশেষত সামরিক শাসন ও রাজনৈতিক সঙ্কটে—সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ছিলেন দলের জন্য দিকনির্দেশনাদাতা এক দৃঢ় স্তম্ভ।

তাঁর নৈতিক দৃঢ়তা, অভিজ্ঞতা ও পরিমিত নেতৃত্ব আওয়ামী লীগের জন্য তখন অপরিহার্য ছিল। তাঁর মতো প্রজ্ঞাবান নেতার অনুপস্থিতি আজও দেশের রাজনীতিতে গভীরভাবে অনুভূত হয়।

বাংলাদেশের এই দু:সময়ে একজন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের অভাব অপূরণীয় 🙏

এস এ সাব্বির

1 week ago | [YT] | 5,268

SA SABBIR

ডিস্পোজাল রাজনীতি ও তথাকথিত ইসলামি আইনের বাস্তবতা

“আল্লাহ রাখে কে, মারে কে”—এই বাণী উচ্চারিত হলেও বাস্তবতায় দেখা যায়, ক্ষমতা ও রাজনৈতিক কৌশলের কাছে মানবিকতা বারবার পরাজিত হয়। প্রশ্ন উঠছে, তথাকথিত “মুসলিম আইন” কি আদৌ হাদির স্ত্রীকে ন্যায্য অধিকার দিয়েছে?

হাদির স্ত্রী কি জানেন না যে জামায়াতে ইসলামী মূলত মওদুদীবাদী ব্যাখ্যার ইসলামি আইন ও শাসনব্যবস্থা অনুসরণ করে? এই কাঠামোর ভেতরে নারীর অধিকার কতটা সীমিত—তা নতুন করে বলার কিছু নেই।
রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, কৌশলগত প্রয়োজন ফুরালে একজন মানুষ কেবল “ব্যবহারযোগ্য উপাদান” হিসেবেই বিবেচিত হন। শাউয়া হাদির মৃত্যুর পর যেন সেই এজেন্ডার দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়েছে। জীবিত অবস্থায় যিনি প্রয়োজনীয় ছিলেন, মৃত্যুর পর তার পরিবারও সেই রাজনৈতিক কাঠামোর কাছে গুরুত্ব হারিয়েছে।

বর্তমান মুসলিম পারিবারিক আইনের প্রচলিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাবালক সন্তানের পূর্ণ অভিভাবকত্ব পান না। ছেলে ও মেয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে ভিন্ন বয়সসীমা নির্ধারণ করে অভিভাবকত্বের বিষয়টি বিচার করা হয়। এমনকি সন্তানের দেখভালের দাবি যদি স্বামীর পরিবার তোলে, তবে স্ত্রীকে আইনি লড়াইয়ে নামতে হয়—এটাই বাস্তবতা।

এই কাঠামোতে নারীকে প্রায়ই একজন পূর্ণ মানুষ হিসেবে নয়, বরং দায়িত্ব পালনকারী একক হিসেবে দেখা হয়—যার ভূমিকা সন্তান ধারণ, গৃহস্থালি ও শ্রমে সীমাবদ্ধ। হাদির মৃত্যুর পর তার স্ত্রীর সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে। এমনকি পরিবারের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে—স্ত্রীকে “নিয়ে যেতে” কারও আপত্তি নেই, যা এই মানসিকতার নগ্ন প্রকাশ।

অন্যদিকে, হাদির পরিবার রাজনৈতিক আনুকূল্য, সুযোগ-সুবিধা ও অর্থনৈতিক লাভবান হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্ত্রী সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে না পারলেও, সন্তানের উত্তরাধিকার ও সম্পত্তির ওপর চাচা বা পিতৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়—এটাই প্রচলিত মুসলিম আইনের বাস্তব প্রয়োগ।

সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নটি এখানেই: এই ব্যবস্থায় হাদির স্ত্রী কোথায়? একজন স্ত্রী, একজন মা, একজন নাগরিক হিসেবে তার অধিকার কোথায় নিশ্চিত হয়েছে? মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও নৈতিকতার দাবি কি কেবল বক্তৃতা ও স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজাই আজ সবচেয়ে জরুরি।

3 weeks ago | [YT] | 2,632

SA SABBIR

সবাই আজ প্যারোল না পাওয়ার ঘটনায় আবেগে ফেটে পড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—যে রাষ্ট্রব্যবস্থা একজন ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রীকে শিশুসন্তানসহ আত্মহননের পথে ঠেলে দিল, সেই অপরাধের বিচার কোথায়? কোনটা বেশি অমানবিক—তিন ঘণ্টার প্যারোল না দেওয়া, নাকি পরিকল্পিত হয়রানি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন ও আইনি সন্ত্রাসের মাধ্যমে একটি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া?
ফেসবুকের ভাষ্য দেখলে মনে হয়—মৃত্যু স্বাভাবিক, বিনা বিচারে বছরের পর বছর কারাবাস গ্রহণযোগ্য; অপরাধ শুধু এটুকু যে কাউকে সাময়িক প্যারোল দেওয়া হয়নি। এই উল্টো নৈতিকতা জাতিকে কোন ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে?
ন্যায়বিচারের প্রথম শর্ত হলো Right to Fair Trial। আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন, রিবাটাল এবং জামিন—এসব কোনো দয়া নয়, সাংবিধানিক অধিকার। জামিন মানে খালাস নয়। খুবই ব্যতিক্রমী ও গুরুতর প্রাইমা-ফেসি অপরাধ ছাড়া জামিন অস্বীকার করা যায় না। আর জামিন অস্বীকার করলেও কাউকে অনির্দিষ্টকাল বিনা বিচারে আটক রাখা আইনবিরোধী।
কিন্তু বাস্তবে কী ঘটছে? আইনের অধ্যাপক পরিচয়ে আসিফ নজরুল বারবার বিচারকদের জামিন দেওয়ার ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করেছেন—চিঠি, বক্তব্য, চাপ। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রকাশ্যে বলেছেন, আওয়ামী লীগ কর্মীদের (নিরপরাধ হলেও) জামিন দেওয়া যাবে না। প্রধান উপদেষ্টা সেই অবস্থানে সম্মতি দিয়েছেন। এই সমন্বিত রাষ্ট্রীয় অবস্থানই এক নারী ও শিশুকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। মনে রাখা দরকার—পেনাল কোড অনুযায়ী কাউকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা একটি কগনিজেবল অপরাধ।
স্থানীয় আইনজীবীদের বর্ণনা আরও ভয়াবহ। তথাকথিত ‘হরেদরে’ মামলায় জামিনের আভাস মিললেও জামাতপন্থী পিপি ও তাদের সহযোগীরা আদালত কক্ষেই হট্টগোল, বিচারককে হুমকি, গোপন শালিসে বাধ্য করে। জামিন চাইতে গিয়ে একজন নারীকে ২০–৩০ লাখ টাকার দর কষাকষির মুখে পড়তে হয়। জামিন আদেশ জারি হলেও কারাগার গেটেই পুনরায় গ্রেপ্তার—সবই অর্থ না দিলে। এ কি বিচার, নাকি সংগঠিত চাঁদাবাজি?
এই অবিচার টানা দেড় বছর ধরে চলতে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস। এর দায় এড়ানো যাবে না।
আমি নিজে সাক্ষী—ফেনীর এক ৬৫ বছর বয়সী মানুষকে অজ্ঞাতনামা আসামি বানিয়ে, বাদী–আইও–বিচারক—তিনজনই একই রাজনৈতিক ঘরানার—তবু জামিন অস্বীকার। হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় থেকেও না। অবশেষে উপরের স্তরে যোগাযোগ না করলে জামিন মিলত না। এটাই কি আইনের শাসন?
প্রাণী হিসেবে শূকর শান্ত ও উপকারী। কিন্তু মানুষ শূকর যখন রাষ্ট্র চালায়, তখন আইন থাকে—ন্যায় থাকে না। সেই নিষ্ঠুরতার চূড়ান্ত মূল্য জীবন দিয়ে দিয়েছেন একজন মা ও তার শিশুসন্তান। এই মৃত্যু কোনো দুর্ঘটনা নয়—এটি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ও আইনি সন্ত্রাসের ফল।

এই বিচারহীনতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদই আজ ন্যূনতম নৈতিক দায়িত্ব।

3 weeks ago | [YT] | 1,193

SA SABBIR

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান দুর্নীতির বাস্তব খেসারত শেষ পর্যন্ত বহন করছে সাধারণ জনগণ। নিয়োগে অর্থের লেনদেন, বদলি–পোস্টিংয়ে প্রকাশ্য বাণিজ্য এবং অবৈধ আয়ের সংস্কৃতি পুলিশ বাহিনীর একটি অংশকে জনগণের সেবক নয়, বরং আদায়কারী কাঠামোতে রূপান্তর করেছে। এর সরাসরি চাপ পড়ে সেই সব মানুষদের ওপর, যারা মামলা, গ্রেপ্তার কিংবা হাজতের বাস্তবতার মুখোমুখি হন।

বাস্তবতা হলো—একটি সাধারণ মামলায় জড়িয়ে পড়লেই একজন নাগরিককে কমপক্ষে ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এই অর্থ কোথাও নথিভুক্ত হয় না, রাষ্ট্রীয় কোষাগারেও জমা পড়ে না। অথচ এই অর্থপ্রবাহ দিনের শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি বিকৃত ইনকাম চেইনের অংশ হয়ে ওঠে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজতিদের পরিবার—নারী, শিশু ও বয়স্করা—যাদের কোনো অপরাধ নেই, কিন্তু শাস্তি ভোগ করতে হয় সবচেয়ে বেশি।

এই ব্যবস্থায় পুলিশ সদস্যরাও শেষ পর্যন্ত বন্দি হয়ে পড়েন। কারণ, যারা টাকা দিয়ে চাকরি নেয় বা অর্থের বিনিময়ে পোস্টিং পায়, তাদের সেই ‘বিনিয়োগ’ তুলতে হয় মাঠপর্যায়ে গিয়ে। ফলে ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও আইনের শাসন চাপা পড়ে যায় অবৈধ আদায়ের চাপে।

এই সংকটের সমাধান সম্ভব কেবল কাঠামোগত পর্যায়ে সৎ এবং গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করার মাধ্যমে—স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া, বদলি-পোস্টিংয়ে জবাবদিহিতা, স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পুলিশ প্রশাসন নিশ্চিত না হলে জনগণের ওপর এই নিপীড়ন বন্ধ হবে না। যে সরকার'ই আসুক না কেনো এই দুর্নীতির চেইন থেকে বের হতে পারবে না। দুর্নীতির শিকড় উপড়ে না ফেললে, তার বোঝা বহন করতেই থাকবে সাধারণ মানুষ। এজন্য সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় ইকো-সিস্টেম কে পুনর্গঠিত করতে হবে।

#Corruption #exposed #Bangladesh

3 weeks ago | [YT] | 1,382

SA SABBIR

লুৎফুজ্জামান বাবর টানা ১৭ বছর কারাগারে ছিলেন। তবুও তার স্ত্রী বেঁচে আছেন—সম্মানের সাথেই বেঁচে আছেন। তিনি আত্মহত্যা করেননি। কেন করেননি?
উত্তরটা খুবই সোজা, খুবই নির্মম—কারণ তার হাতে টাকা ছিল। সেই টাকা বৈধ না অবৈধ, তা এই ব্যবস্থার কাছে কোনো বিষয়ই না।

একই সমাজে এক নারী ১৭ বছর স্বামী ছাড়া টিকে থাকতে পারেন, আবার সেই সমাজেই আরেক নারী মাত্র ১১ মাসেই জীবনের সব আশা ছুঁড়ে ফেলে দেয়। কেন?
কারণ স্বামী ছাড়া বাঁচা সম্ভব, কিন্তু টাকা ছাড়া নয়।

টাকা না থাকলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে শুরু হয় নির্দয় নিপীড়ন—হয়রানি, অপমান, অবমাননা আর অসহনীয় মানসিক নির্যাতন। চেতনার বুলি আউড়ে কোনো উকিল, মোহরী, জেল পুলিশ বা কোর্ট পুলিশের হৃদয় গলে না। টাকা না দিলে স্বামীর মুখ দেখা নিষিদ্ধ। টাকা না দিলে বন্দি বাবা নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়ার অধিকারও পায় না। মাসে মাসে জেলখানার পিসিতে ঘুষ না দিলে মানুষ থাকা যায় না।

এখন প্রশ্ন—২২ বছরের একজন নারী এই টাকা কোথায় পাবে?
এই রাষ্ট্রে স্বামী ছাড়া বেঁচে থাকা যায়, কিন্তু টাকা ছাড়া শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যাই একমাত্র পরিণতি হয়ে দাঁড়ায়।

4 weeks ago | [YT] | 2,096

SA SABBIR

পাকিস্তানে আত্মগোপনে থাকা যুদ্ধাপরাধী হঠাৎ করে ফিরে আসে তখনই, যখন সে নিশ্চিত হয়—বাংলাদেশ পাকিস্তানপন্থী রাজাকারদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল।

1 month ago | [YT] | 2,062

SA SABBIR

"আয়াতুল্লাহ খামেনীর দেশ "ইরানে" আমেরিকার দরকার ছিলো একজন পেইড ওয়াকার ও একজন নোবেল "ইউনূস"। যেখানে শতভাগ ব্যার্থ সাদা চামড়ার শাসকরা। কারণ, ইরানের আছে কাশেম সোলাইমানীর উত্তরসূরী। মুসলীম বীর কাকে বলে সেটা বাঙ্গু তৌহিদী জনতার উচিৎ এদের দেখে শিক্ষা গ্রহন করা।

আজকে ইরানে ওয়াকারের মতো একটা বেঈমান আমেরিকা ম্যানেজ করতে পারলো না বলেই ওদের রঙ্গিন বিপ্লব বিপন্ন হচ্ছে। কাশেম সোলাইমানীকে হত্যা করার মাধ্যমে বার বার আমেরিকা ইরানের সামরিক বাহিনীতে হস্তক্ষেপ করেছে কিন্তু তাদের টলাতে পারে নাই।

খেয়াল করে দেখুন, ওরা নিজেরটা বুঝে ইসলামকে ধারণ করে, হোক সেটা শিয়া কিংবা সুন্নী কিংবা মাজারপন্থী। সবার আগে নিজের দেশ নিজের ভূখন্ড তারপর বাকী সব। রাষ্ট্র বোধের এই চিন্তাটাই থাকা উচিৎ রাষ্ট্রপরিচালকদের। ইহুদী ও আমেরিকার সাথে কুটনৈতিক লেনদেন থাকবে তবে সেটা দেশের স্বার্থ রক্ষা করে। তাদের এজেন্ট হয়ে নয়৷

বিশ্লেষণে,
আপনাদের স্নেহের
এস এ সাব্বির
১২ জানুয়ারী ২০২৬

1 month ago | [YT] | 3,683

SA SABBIR

পুলিশ প্রশাসন সহ সকল বাহিনীর প্রতি খোলা চিঠি,
মোরা ৩০ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে মুক্ত করেছি বাংলা মাকে। মোরা আবারও হাতে অস্ত্র নেবো মায়ের একটি ডাকে। এখনও পর্যন্ত ধৈর্য্য দেখিয়ে যাচ্ছি। আরাকান আর্মি ও পাকিস্তানপন্থী মৌলবাদীদের ঠেকাতে না পারলে আপনাদের'কে বেয়াদবির চরম মাত্রা দেখাতে বাধ্য হবো। ভদ্রতা দেখিয়েছি, নির্যাতন সহ্য করেছি এই দেশের জন্য। এখন যদি দেশের সার্বভৌমত্ব বাচাতে না পারেন তাহলে আপনাদের পেটের দায়ে ডিউটি করা ছুটায় দিমু। এটাকে ওয়ার্নিং মনে করলে ওয়ার্নিং, আর সতর্কতা মনে করলে সতর্কতা। কিন্তু, একটা বিষয় মাথায় রাখিয়েন দেশপ্রেমের যায়গায় কোন কম্প্রোমাইজ করা হবে না।

‪@MuhammadYunus‬​ তোকে বলছি, পিঠে বস্তা বাইন্ধা রাখ। মাইর একটাও মাটিতে পরবে না। বাংলাদেশের কিছু হলে তুই যাবি মায়ের ভোগে।

1 month ago (edited) | [YT] | 2,196

SA SABBIR

সত্য কথা বলতে গেলে যদি ভারতের দালাল অপবাদ নিতে হয় তাহলে ইতিহাস বিকৃতকারীদের পাকিস্তানের দালাল বলতে আপনার লজ্জা করবে কেনো? ওরা রাজাকার ওরা পাকিস্তানী বলেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে। 🫵

1 month ago | [YT] | 2,113